শিরোনাম খবর :
৫৮৬১৩০৯২, ০১৭৪৭ ৯৭৬ ০৯৭, ০১৭৪৭ ৯৭৬ ০৯৮ uwfcbd.com@gmail.com

কলেজের বৈশিষ্ট্যসমূহ

নিম্নে  বর্ণিত  বৈশিষ্ট্যের  কারণেই  এ  কলেজ  অন্য  কলেজ  থেকে  স্বতন্ত্র্য

১.  কলেজের  সময় ৮:৩০-১২:৪৫  পর্যন্ত  যা  সবার  জন্য  সুবিধাজনক  একটি  সময়  ।

২.  কলেজটি  ধানমন্ডির  ৬নং  রোডে  অবস্থিত  হওয়ায়  যে  কোন  যানবাহনে  যাতায়াত  করা  যায়  ।

৩.  বহুনির্বাচনী  ও  সৃজনশীল  প্রশ্ন  কাঠামো  বিবেচনায়  রেখে  সন্তোষজনকভাবে  পাঠ্যক্রম  আলোচনার  জন্য  পর্যাপ্ত  সময়  প্রয়োজন  ।  তাই  প্রতিদিন  ছয়টি  করে  ক্লাশ  নেয়ার  ব্যবস্থা  রেখে  ছুটির  সময়  নির্ধারণ  করা  হয়েছে  ।  উচ্চ  মাধ্যমিক  শ্রেণীর  জন্য  এর  চেয়ে  কম  সময়  কিছুতেই  কাম্য  হতে  পারে  না  ।

৪.  নিয়মিতভাবে  ক্লাশে  উপস্থিত  থাকলে  ছুটির  পর  প্রাইভেট  কোচিং  এর  প্রয়োজন  হয়  না  ।

৫.  একজন  গাইড  শিক্ষকের  তত্ত্বাবধানে  থাকে  ৭-১০ জন  ছাত্রী  ।  এ  ব্যবস্থা  থাকায়  ছাত্রী  ও  শিক্ষকদের  পারস্পরিক  সম্পর্ক  উন্নত মানসিকতা  গড়ায়  কার্যকর  ভূমিকা  রাখে  ।

৬.  ছাত্রীদের  যে  কোন  সমস্যা  (প্রাতিষ্ঠানিক/ব্যক্তিগত)  সমাধানে  ক্ষেত্রে  গাইড  শিক্ষকগণ  কার্যকর  ভূমিকা  রাখে  ।

৭.  পর্যাপ্ত  আলোবাতাস  সম্বলিত  কলেজের  নিজস্ব  হোস্টেল  এবং  হোস্টেলে  মানসম্পন্ন  ও  পুষ্টিকর  খাবারের  ব্যবস্থা  আছে  যা  অনেক  কলেজে নাই  ।

৮.  ব্যবসায়  শিক্ষা  শাখায়  মার্কেটিং,  ফিন্যান্স,  পরিসংখ্যান,  অর্থনীতি  ইত্যাদি  বিষয়গুলো  থেকে  ছাত্রী  তার  পছন্দ  অনুযায়ী  বিষয়  বেছে  নেওয়ার  সুযোগ  পাবে  ।  অনেক  কলেজেই  এ  সুবিধা  নাই  ।  সেখানে  কলেজকর্তৃক  নির্ধারিত  বিষয়টিই  ছাত্রীকে  পড়তে  হয়  ।  কোন কোন  কলেজে  মার্কেটিং  আছে  কিন্তু  ফিন্যান্স  নাই  ।  আবার  কোন  ক্ষেত্রে  ফিন্যান্স  আছে  কিন্তু  মার্কেটিং  নাই  ।  অথচ  এ  দুটো  বিষয়ই ব্যবসায়  শিক্ষার  জন্য  অতি  গুরুত্বপূর্ণ  ।

৯.  একাদশ  শ্রেণীর  বার্ষিক  পরীক্ষার  পর  দুর্বল  ছাত্রীদের  জন্য  প্রতিদিন  ১  ঘন্টা  করে  কোচিং  ক্লাশের  ব্যবস্থা  করা  হয়  ।  এই  কোচিং কার্যক্রম  নির্বাচনী  পরীক্ষার  পূর্ব  পর্যন্ত  চলে  ।

১০. S.S.C  তে  প্রাপ্ত  GPA  এর  তুলনায়  H.S.C   তে  আর  উন্নত  GPA  প্রাপ্তির  লক্ষ্যে  সকল  শিক্ষা  কার্যক্রম  পরিচালিত  হয়  ।

১১.  শিক্ষাকার্যক্রমের  পাশাপাশি  নবীনবরণ,  বার্ষিক  ভোজ,  বনভোজন,  শিক্ষাসফর,  বিভিন্ন  জাতীয়  অনুষ্ঠান  উদযাপনের  ব্যবস্থা  থাকায়   ছাত্রীরা  যথেষ্ট  আনন্দ  নিয়ে  লেখাপড়া  করতে  পারে  ।

১২. কলেজের  নিজস্ব  ক্যাম্পাসে  (নীচতলা)  ক্যান্টিন  থাকায়  মানসম্পন্ন  খাবার  পাওয়া  যায়  ।

১৩.  কলেজ  ভবনের  গুরুত্বপূর্ণ  স্থানগুলো  সি  সি  ক্যামেরা  দ্বারা  নিয়ন্ত্রিত  ।